Dengue Prevention: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা, সাবধান হোন এখন থেকেই, জানুন কীভাবে চিনবেন?

Dengue Prevention: বর্ষায় এই জ্বর কি ভাইরাল ফিভার নাকি ডেঙ্গুর পূর্বাভাস। বোঝা দায় হয়ে উঠেছে সারা বাংলার মানুষের কাছে। জুলাইতেই 2,000 জনের বেশি ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা চিন্তা বাড়াচ্ছে। আসলে ডেঙ্গু…

Written by Laxmishree Banerjee

Published on:

Dengue Prevention: বর্ষায় এই জ্বর কি ভাইরাল ফিভার নাকি ডেঙ্গুর পূর্বাভাস। বোঝা দায় হয়ে উঠেছে সারা বাংলার মানুষের কাছে। জুলাইতেই 2,000 জনের বেশি ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা চিন্তা বাড়াচ্ছে। আসলে ডেঙ্গু (DENG-gey) জ্বর হল এমনই একটি মশাবাহিত রোগ যা সারা বিশ্বের চিন্তার কারণ। হালকা ডেঙ্গু জ্বরের কারণে ফ্লুর মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তবে, এই ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক রূপ ধরলে একে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারও বলা হয়। এই সময়ে রোগীর শরীরে গুরুতর রক্তপাত, রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়ার মতো কঠিন অবস্থা, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই আগে থেকে ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ, এর উপসর্গ জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

কীভাবে রেহাই পাবেন (Dengue Prevention)?

গবেষকরা ডেঙ্গু জ্বরের টিকা নিয়ে কাজ করছেন।আপাতত, যেসব এলাকায় ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে, সেখানে নিজেকে সংক্রমণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখার সেরা উপায় হল মশার কামড় এড়ানো এবং মশার সংখ্যা কমাতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া। আর যে নিজের বা পরিবারের কারও শরীরে যে লক্ষণগুলি দেখলে সাবধান হওয়া প্রয়োজন সেগুলি নিম্নলিখিত (Dengue Prevention)।

লক্ষণ

অনেকের ডেঙ্গু সংক্রমণের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা যায় না। উপসর্গ অনেক সময় সংক্রামিত মশা কামড়ানোর 4 থেকে 10 দিন পরে নজর কাড়ে। ডেঙ্গুর কারণে জ্বর বেড়ে 104 F (40 C)-এও পৌঁছে যেতে পারে। এবং নিম্নলিখিত লক্ষণ ও উপসর্গগুলির মধ্যে যেকোনো একটি হলেই শীঘ্র পদক্ষেপ নিন (Dengue Prevention)।

  • মাথাব্যথা
  • পেশী, হাড় বা জয়েন্টে ব্যথা
  • বমি বমি ভাব
  • বমি
  • চোখের পিছনে ব্যথা
  • ফোলা গ্রন্থি
  • ফুসকুড়ি

এবার এই ডেঙ্গু জ্বর যদি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা দিতে পারে। যা জীবনকেও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। এই লক্ষণগুলি সাধারণত জ্বর চলে যাওয়ার প্রথম বা 2 দিন পর থেকে শুরু হয়।

  • প্রচন্ড পেট ব্যাথা
  • ক্রমাগত বমি হওয়া
  • আপনার মাড়ি বা নাক থেকে রক্তপাত
  • আপনার প্রস্রাবে রক্ত, মল বা বমি
  • ত্বকের নিচে রক্তপাত, যা ক্ষতের মতো দেখাতে পারে
  • কঠিন বা দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস
  • ক্লান্তি
  • বিরক্তি বা অস্থিরতা

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

গুরুতর ডেঙ্গু জ্বর হল মেডিকেলের জরুরি অবস্থা। কোনো ব্যক্তি যদি সম্প্রতি এমন কোনো এলাকায় গিয়ে থাকেন যেখানে ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপর ওই জায়গায় গিয়ে ওই ব্যক্তির জ্বর হয়েছে। এবং উপরিউক্ত লক্ষণগুলির মধ্যে যেকোনো একটি ওই ব্যক্তির শরীরেও দেখা গিয়েছে। তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসা শুরু করুন। ডাক্তার দেখান (Dengue Prevention)।

ডেঙ্গু জ্বর কেন হয়?

ডেঙ্গু জ্বর সাধারণত চার ধরনের ডেঙ্গু ভাইরাসের যেকোনো একটির কারণে হয়ে থাকে। সংক্রমিত ব্যক্তির আশেপাশে থাকলে ডেঙ্গু জ্বর হয় না। বরং মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর বেশি ছড়ায়। যেভাবে মশা প্রায়শই ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায় সেগুলি হল-

ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মশা কামড়ালে ভাইরাসটি মশার মধ্যে প্রবেশ করে। তারপর, যখন সংক্রামিত মশা অন্য একজনকে কামড়ায়, তখন ভাইরাসটি সেই ব্যক্তির রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করে এবং সংক্রমণ ঘটায়।

আরও পড়ুন: বর্ষায় বাঁচুন কনজেক্টিভাইটিসের হাত থেকে, কড়াভাবে মানুন এই নিয়ম

মশার উপদ্রব কমাবেন কীভাবে?

  • বাড়িকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন ও মশা নিরোধক ব্যবহার করুন।
  • ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী মশা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। তবে মশা রাতেও কামড়াতে পারে। তাই যতটা সম্ভব শরীর ঢাকা পোশাক পরুন।

যে মশাগুলি ডেঙ্গু ভাইরাস বহন করে সেগুলি সাধারণত বাড়িতে এবং বাড়ির আশেপাশেই স্থায়ী জমা জলে বংশবৃদ্ধি করে। যেমন ব্যবহৃত অটোমোবাইল টায়ারের মতো জিনিসগুলিতে এই মশা জন্মায়। তাই এসমস্ত জায়গায় জল জমতে দেবেন না। সপ্তাহে অন্তত একবার, খালি কোনো পাত্রে যাতে জল দাঁড়াতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে পাত্র ঢাকা দিয়ে রাখুন (Dengue Prevention)।

এই ধরনের আরও আপডেট পেতে ফলো রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজকে