Digital Attendance: পড়ুয়ারা স্কুলে এলেই মেসেজ যাবে অভিভাবকদের কাছে! নতুন উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

Digital Attendance: এবার অতীত হতে চলেছে স্কুলের নাম করে বন্ধুদের সঙ্গে বসে আড্ডা! কিংবা সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা। কেন জানেন? ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে নয়া উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের…

Written by Laxmishree Banerjee

Published on:

Digital Attendance: এবার অতীত হতে চলেছে স্কুলের নাম করে বন্ধুদের সঙ্গে বসে আড্ডা! কিংবা সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা। কেন জানেন? ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে নয়া উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এবার থেকে স্কুলে ঢোকার সময় এবং স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় অর্থাৎ ছুটি হয়ে যাওয়ার পর প্রত্যেকেই দিতে হবে ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স (Digital Attendance)।

অনলাইনে আজকাল সবকিছুই হয়ে যাচ্ছে। ট্রেনের টিকিট বুক করা হোক কিংবা শপিং, টাকা পয়সার লেনদেন সবকিছুই এখন মুঠোফোনে বন্দী। আর এবার এই ভিত্তিরও দেখা মিলল স্কুলেও। এতদিন পর্যন্ত শুধুমাত্র সরকারি এবং বেসরকারি অফিস গুলিতে উপলদ্ধ ছিল ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স (Digital Attendance) পরিষেবা। তবে এবার স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স এর আওতায় আনা হবে, এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে কী এই Digital Attendance In School?

এই ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স কিন্তু বায়োমেট্রিক শুধু দিলে চলবে না। প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীকেই দেওয়া হবে ডিজিটাল আইডেন্টিটি কার্ড। স্কুলে ঢোকার সময় এবং স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় সেই কার্ড অবশ্যই গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে তাঁদের। কারণ সেই কার্ডেই লাগানো থাকবে একটি ইলেকট্রনিক্স চিপ। আর এখানেই লিঙ্ক করা থাকবে ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকদের মোবাইল নম্বর।

আরও পড়ুন: Jio Recharge Plan: গ্রাহকদের জন্য সুখবর! সবচেয়ে সস্তার প্ল্যান নিয়ে হাজির Reliance Jio

প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী যখন স্কুলে ঢুকবে এবং স্কুল থেকে বেরোবে ঠিক সেই সময় বৈদ্যুতিক যন্ত্রের কাছে এসে দাঁড়াতে হবে তাঁদের। তাহলেই সেই চিপ থেকে ওই যন্ত্রের মাধ্যমে স্ক্যান করে সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবকদের কাছে চলে যাবে স্বয়ংক্রিয় এসএমএস। খুব সহজেই তাঁরা জানতে পেরে যাবেন কখন তাঁদের সন্তান স্কুল থেকে বেরোচ্ছে এবং কখন স্কুলে আসছে। এতে একদিকে যেমন অভিভাবকরা হবেন চিন্তা মুক্ত ঠিক তেমনই পড়ুয়ারা করতে পারবেন না কোনও বেনিয়ম। ইতিমধ্যেই এই পরিষেবা চালু হয়ে গিয়েছে নদীয়ার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ধীরে ধীরে এই পরিষেবা চালু হবে পশ্চিমবঙ্গের সকল বিদ্যালয়গুলিতেই।