2500 সালের মধ্যেই জলের তলায় কলকাতা! হাওড়া ব্রিজ থেকে ভিক্টোরিয়ার ভাইরাল ছবি দেখে হাঁ নেটিজেনরা

Drowning Kolkata Images: ডুবন্ত শহর কলকাতা। খুব শীঘ্রই জলের তলায় তলিয়ে যেতে চলেছে বাঙালির প্রাণের শহর কলকাতা। ইতিমধ্যেই ছবি বানিয়ে সে ভবিষ্যৎবাণী করেও ফেলেছে AI অর্থাৎ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।…

Written by Laxmishree Banerjee

Published on:

Drowning Kolkata Images: ডুবন্ত শহর কলকাতা। খুব শীঘ্রই জলের তলায় তলিয়ে যেতে চলেছে বাঙালির প্রাণের শহর কলকাতা। ইতিমধ্যেই ছবি বানিয়ে সে ভবিষ্যৎবাণী করেও ফেলেছে AI অর্থাৎ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। কলকাতার এই AI-কিউরেটেড ছবিগুলি ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে তার একটি আভাস দিয়েছে। কলকাতার স্রষ্টা অপূর্ব রায় নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে এই আশ্চর্য ছবিগুলি শেয়ার করেছেন।

এই ছবিগুলিতে স্রষ্টা হাওড়া ব্রিজ, আইটিসি হোটেল, রবীন্দ্র সরোবর, প্রিন্সেপ ঘাট, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, লেক টাউন ক্লক টাওয়ার, বিশ্ব বাংলা গেট সহ কলকাতার একগুচ্ছ জনপ্রিয় স্থানের ছবি শেয়ার করেছিলেন। এই ছবিগুলিতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে 2500 সালে আরও বেশি হিমবাহ গলবে এবং সর্বত্র জলের স্তর বৃদ্ধি পাবে। বিশেষত উপকূলীয় অঞ্চলগুলি যেমন কলকাতা জলের নীচে ডুবে যাবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে কেন এমন ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে কলকাতার?

নিত্যদিনের জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ ও জীবনের উপর এর প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিনিয়ত এমন বিপর্যয়কর ঘটনার সৃষ্টি করেই চলেছে। কোথাও বিরাট ভূমিকম্প। কোথাও বা বন্যা, ভূমিধস। এমনকি অতি সম্প্রতি ভারতের হিমাচল প্রদেশে প্রকৃতির বিধ্বংসী রূপ রীতিমত চিন্তায় ফেলেছে পরিবেশবিদদেরও। গতবছরেই সাংবাদিক সম্মেলনে ভূতত্ত্ববিদ সুজীব কর বলেছিলেন, আগামী 12 বছরের মধ্যে শহর কলকাতার বেশ কিছু অংশ তলিয়ে যেতে পারে জলের তলায়। কারণ প্রায় পুরোই নরম মাটির উপরে অবস্থিত। দিনের পর দিন ক্রমশ বাড়তে থাকা জলস্তর খুব স্বাভাবিকভাবেই এই মাটি আরও নড়বড়ে করে দেবে কলকাতাকে।

আরও পড়ুন: এবার মাত্র 450 টাকায় মিলবে রান্নার গ্যাস! বুকিং করুন এইভাবে 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পৃথিবীর এই ভয়াবহ পরিণতির পিছনে রয়েছে মানব কর্মকাণ্ড। হিমবাহ ও সামুদ্রিক বরফ গলে ভীতিকর বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ হল এটাই। সমস্ত ক্ষতিকারক এবং বিষাক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন এই ধরনের বিপর্যয়কর ঘটনাকে আরও বেশি করে উস্কানি দিচ্ছে। 2023 সালের গ্রীষ্মের মরসুম বিশ্বকে যা দেখিয়েছে কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়ে ভয়ঙ্কর পরিস্থতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তা এককথায় এটাই প্রমাণ দেয় যে, এখন থেকেই মানুষ যদি প্রকৃতির রক্ষা এবং সংরক্ষণ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ আর সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত না হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ রীতিমত অন্ধকার। উন্নতির সমাজ তলানিতে তলিয়ে যাবেই।

এই ধরনের আরও আপডেট পেতে ফলো রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজকে